কাশ্মীরের হামলায় রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততার আভাস - ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন
২০০০ সালের ২০ মার্চ জম্মু ও কাশ্মীরের চিট্টিসিংহপুরা রাজ্যে ৩৫ জন শিখ কে হত্যার দায় চাপানো হয়েছিলো পাকিস্তানীদের উপর। বিভিন্ন স্বাধীন তদন্ত এবং মানবাধিকার সংস্থার বিশ্লেষণে উঠে আসে যে, হামলাকারীরা ইন্ডিয়ান আর্মির পোশাক পরিহিত ছিলো এবং জয় হিন্দ শ্লোগান দিচ্ছিল। এছাড়াও, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল কে.এস. গিল দাবি করেন যে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর কিছু রিটায়ার্ড পার্সনরা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
৮ সেপ্টেম্বর ২০০৬ সালে শব-ই-বারাআতের দিন মেলেগাঁও মুসলিম কবরস্থান ও মসজিদের কাছে বোমা হামলায় প্রায় ৩৭ জন শহীদ হয় আহত শতাধিক।
তদন্ত: প্রথমে মুসলিম চরমপন্থী গোষ্ঠী SIMI-কে দোষারোপ করা হলেও পরে তদন্তে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন “অভনব ভারত” এর এর আট সদস্যের সম্ভাব্য জড়িত থাকার তথ্য উঠে আসে, যারা সবাই ইসলামি লেবাসে ধারণ করেছিল। সোর্স- https://shorturl.at/zHdCi
২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ একটি ব্যস্ত এলাকা, মসজিদের কাছে আবার সেই মেলেগাঁওতেই বোমা হামলা হয় যেখানে ৬ জন শহীদ এবং আহত শতাধিক
তদন্ত: অভিযুক্ত হন প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর, কর্নেল পুরোহিতসহ কট্টর হিন্দুত্ববাদী কিছু ব্যক্তি মুসলিম সেজে আল্লাহু আকবর ধনীতে বোমা হামলা ঘটায়। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন, এবং ২০২৫ সালের মে মাসে রায় আসার কথা। সোর্স- https://shorturl.at/mHDX9
এবার আসি কাশ্মীরের পেহেলগামে ঘটে যাওয়া ঘটনায়, যেখানে ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ১ কিঃমিঃ দূরেই রয়েছে ইন্ডিয়ান আর্মির ক্যাম্প সেখানে হামলাকারীরা কোন প্রকার তাড়াহুড়া ছাড়া দির্ঘ সময় নিয়ে মানুষদের কে সারিবদ্ধভাবে দাঁর করিয়ে ধর্ম জিগ্যেস করে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যাকান্ড ঘটিয়ে চলে যায় তবুও সেনাবাহিনীর ক্যাম্প থেকে একটা মাছিও বের হতে দেখা যায়না। শুধু তাইনা কাশ্মীরের পেহেলগামের মতো যায়গায় যেখানে খেলনা বিন্দুকও নিঃশেষ সেখানে হামলাকারীরা বন্দুক, গ্রেনেড নিয়ে ঢুকে কীভাবে??
সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে এই ঘটনার পর ইন্ডিয়ান মিডিয়াও প্রশ তুলতে শুরু করেছে এবং ইন্ডিয়ান সেনাবাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ অশোক কুমার এই হামলাকে ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন বলেছেন। নীচে ভিডিও দেওয়া হলো
মোদ্দা কথা ইন্ডিয়া এসব ঘটনা কখন ঘটায় কেনো ঘটায় এটা বুঝতে রকেট বিজ্ঞানী হতে হয়না, হ্যাঁ তবে ধর্মান্ধ বা গমুত্র পানকারীদের মাথায় এসব ঢুকবেনা।
ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন - অশোক কুমার
